Academy

কৃষিশিক্ষক মাহমুদ স্যার ক্লাসে এসে কৃষির গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রসমূহ নিয়ে আলোচনা করলেন এবং বোর্ডে নিম্নোক্ত চিত্রটি আঁকলেন-

ধৈঞা ও শনপাটকে সবুজ সার ফসল বলা হয় কেন? (অনুধাবন)

Created: 1 year ago | Updated: 5 months ago
Updated: 5 months ago
Ans :

মাটির গুণগতমান উন্নয়নের জন্য গাছে ফুল আসার পূর্বে লিগিউম জাতীয় উদ্ভিদ চাষ দিয়ে মাটিতে মিশিয়ে যে সার তৈরি করা হয় তাকে সবুজ সার বলে।

ধৈঞ্চা ও শনপাট জমিতে প্রচুর পরিমাণে জৈব পদার্থ যোগ করে। ধৈঞ্চা গাছের শিকড়ে নডিউল সৃষ্টি হয় যা মিথোজীবী প্রক্রিয়ায় বায়ুমণ্ডল থেকে নাইট্রোজেন সংগ্রহ করে ফসলের গ্রহণোপযোগী করে তোলে। তাই জমির উর্বরতা বৃদ্ধির জন্য ধৈঞ্চা ও শনপাটকে জমিতে সবুজ সার হিসেবে উৎপাদন করা হয়।

1 year ago

কৃষিশিক্ষা

**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View More

1 লোনা পানির মাছ কাকে বলে? (জ্ঞানমূলক)

Created: 1 year ago | Updated: 5 months ago
Updated: 5 months ago

বঙ্গোপসাগরে ও উপকূলীয় এলাকায় অর্থাৎ লোনা পানিতে যেসব মাছ বাস করে সেগুলোকে লোনা পানির মাছ বলে।

উদ্দীপকের 'ক' চিহ্নিত ফসল হলো মাঠ ফসল। যে সকল ফসল সাধারণত উন্মুক্ত মাঠে বেড়াবিহীন অবস্থায় তুলনামূলক কম পরিচর্যার মাধ্যমে উৎপাদন করা হয় সেগুলোকে মাঠ ফসল বলে। মাঠ ফসলের বৈশিষ্ট্য হলো-

i. সাধারণত বড় জমিতে চাষ করা হয়। 

ii. মাঠের সমস্ত ফসলকে একত্রে বা সমষ্টিগতভাবে যত্ন নেওয়া হয়। 

iii. তুলনামূলকভাবে কম যত্নের প্রয়োজন হয়। 

iv. মাঠের সমস্ত ফসল একত্রে পরিপক্ক হয় বলে একত্রে সংগ্রহ করতে হয় (ব্যতিক্রম- তুলা)। 

v. বেড়া নির্মাণের প্রয়োজন হয় না (ব্যতিক্রম- রাস্তার পাশের জমি)। 

vi. মৌসুমের শুরুতে দাম কম থাকে।

vii. সেচ না দিয়েও অনেক ফসল চাষ করা যায়। 

viii. একবর্ষজীবী ফসল (ব্যতিক্রম- চা)। 

ix. নিচু ও মাঝারি উঁচু জমিতে চাষ করা হয়। 

Χ. ফসলের উৎপাদন খরচ ও ঝুঁকি বেশি। 

xi. ফসল শুকিয়ে মাড়াই করে ব্যবহার করা হয় (ব্যতিক্রম- পাট, আখ ইত্যাদি)। 

xii. আকারে খাটো ও ছোট হয় (ব্যতিক্রম- আখ, পাট, ভুট্টা ইত্যাদি)।

অর্থাৎ মাঠ ফসলের উল্লিখিত বৈশিষ্ট্যাবলি লক্ষ করা যায়।

উদ্দীপকে কৃষি শিক্ষকের বর্ণিত বিভিন্ন উপাদানের মধ্যে রয়েছে মাঠ ফসল, উদ্যান ফসল, গবাদিপশু, পোল্ট্রি, সামাজিক বনায়ন ও মৎস্য।

বাংলাদেশের সিংহভাগ মানুষের জীবন ও জীবিকা প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে কৃষির সাথে সম্পর্কিত। কৃষি মানুষের মৌলিক চাহিদা পূরণের পাশাপাশি কর্মসংস্থান সৃষ্টি করে, ব্যবসা-বাণিজ্য ও শিল্প কারখানার প্রসার ঘটিয়ে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের পথ সুগম করে। নিচে বাংলাদেশের মানুষের সাধারণ জীবনযাত্রায় উপরে বর্ণিত উপাদানসমূহের গুরুত্ব বর্ণনা করা হলো- 

i. খাদ্যের সিংহভাগ আসে কৃষি হতে। যেমন- চাল, ডাল, গম, শাকসবজি, মাছ ইত্যাদি। 

ii. কৃষি হলো বস্ত্র তৈরির প্রধান কাঁচামালের উপাদান যেমন- পাট, তুলা, রেশম ইত্যাদির উৎস। 

iii. গৃহ নির্মাণে ব্যবহৃত উপকরণ যেমন- কাঠ, বাঁশ, খড়, শন, গোলপাতা প্রভৃতির উৎস হলো কৃষি। আসবাব তৈরির মূল উপকরণ আসে বন হতে। 

iv. বিভিন্ন অ্যান্টিবায়োটিক, মরফিন, কোকেন এবং রাসায়নিক দ্রব্য উদ্ভিদ হতে প্রস্তুত করা হয়। 

V. শিক্ষার উপকরণ যেমন- কাগজ, পেন্সিল ইত্যাদি আসে কৃষির উপাদান হতে। 

vi. জ্বালানি হিসেবে বাঁশ, খড়, নাড়া, গবাদিপশুর বিষ্ঠা ইত্যাদি গৃহস্থালির কাজে ও ইটের ভাটায় ব্যবহৃত হয়, যা কৃষি হতে আসে। 

vii. এ দেশের মোট শ্রমশক্তির শতকরা ৪০.৬ ভাগ কৃষি হতে আসে। 

viii. বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার ১১% কৃষিজ পণ্য রপ্তানির ফলে আসে। 

ix. মাছের চর্বি, কাঁটা, হাড় ইত্যাদি বিভিন্ন প্রকার শিল্পের কাঁচামাল হিসেবে ব্যবৃহত হয়। 

x. মাছের কাঁটা, আঁইশ, বিষাক্ত মাছ ইত্যাদি শুকিয়ে গুঁড়া করে সার হিসেবে জমিতে ব্যবহার করলে ফসফরাসের অভাব দূর করা যায়।

অতএব, বাংলাদেশের মানুষের জীবনযাত্রায় উদ্দীপকের উপাদানসমূহের গুরুত্ব অনেক।

4 ই-বুক কী? (জ্ঞানমূলক)

Created: 1 year ago | Updated: 5 months ago
Updated: 5 months ago

ই-বুক হলো এক ধরনের ইন্টারএকটিভ ডিজিটাল বই যাতে কোনো বিষয়ে টেক্সট কনটেন্টের সাথে অডিও, ভিডিও, অ্যানিমেশন ইত্যাদিও সমন্বিত আকারে থাকে।

5 উদ্যান ফসল বলতে কী বোঝ? (অনুধাবন)

Created: 1 year ago | Updated: 5 months ago
Updated: 5 months ago

স্বল্প পরিসরে প্রতিটি উদ্ভিদের আলাদা যত্ন করার মাধ্যমে বাগানে যে ফসলের চাষ করা হয় তাকে উদ্যান ফসল বলে। ফুল, ফল, শাকসবজি ও মসলাজাতীয় ফসল উদ্যান ফসলের অন্তর্ভূক্ত। সাধারণত বসতবাড়ি সংলগ্ন উঁচু জমিতে উদ্যান ফসলের আবাদ করা হয়। আমাদের দেশে উৎপাদিত মোট ফসলের প্রায় ৩০ শতাংশই আসে উদ্যান ফসল থেকে। উদ্যান ফসল কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টিতে, পুষ্টির চাহিদা পূরণে ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে ভূমিকা রাখছে।

উদ্দীপকের জমির মিয়ার প্রথম কার্যক্রমটি হলো মৎস্য চাষ। জাতীয় অর্থনীতিতে মৎস্য চাষের ভূমিকা নিচে আলোচনা করা হলো- দেশের রপ্তানি আয়ের ১.৫১% মৎস্য উপখাত থেকে আসে। ২০১৭-১৮ অর্থবছরে ০.৬৮ লক্ষ টন মৎস্য ও মৎস্যজাত পণ্য রপ্তানি করে ৪৩০৯ কোটি টাকার বৈদেশিক মুদ্রা অর্জিত হয়েছে। বিশ্বের ৫৬টি দেশে বাংলাদেশের মাছ রপ্তানি হয়। বাংলাদেশের আয়ের অন্যতম উৎস হচ্ছে মৎস্য খাত। বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০১৮ এর তথ্যমতে, দেশের মোট দেশজ উৎপাদন বা জিডিপি'র ৩.৫৭% এবং মোট কৃষিজ আয়ের প্রায় এক-চতুর্থাংশ মৎস্য খাত থেকে আসে। পুরুষ-মহিলা নির্বিশেষ মোট জনসংখ্যার ১১% এর অধিক লোক জীবন-জীবিকার জন্য প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে মৎস্য খাতের ওপর নির্ভরশীল। অনেক বেকার লোক মাছ চাষ করে হ্যাচারি, নার্সারি, খামার, মাছের খাদ্য তৈরি করে বেকারত্ব দূর করছে। মাছের চর্বি, কাঁটা, হাড় ইত্যাদি বিভিন্ন প্রকার শিল্পের কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহৃত হয়। সাবান, ওষুধ, গ্লিসারিন, বার্নিশ ইত্যাদি তৈরিতে মাছের তেল ব্যবহৃত হয়। মাছের ব্যবসাকে কেন্দ্র করেই গ্রামগঞ্জে নৌকা, লঞ্চ, বরফ তৈরি ও জাল বুননের মত বিভিন্ন শিল্প গড়ে উঠেছে।

উপরের আলোচনা হতে বলা যায় যে, বাংলাদেশের অর্থনীতিতে মাছ চাষের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ।

Promotion
NEW SATT AI এখন আপনাকে সাহায্য করতে পারে।

Are you sure to start over?

Loading...